মূল অংশে যান
প্রিয় এজেন্টPriyo Agent

বাংলাদেশের শেষ গলি

৩০ লাখ দোকান এখনো ডিজিটাল টাকা নিতে পারে না।

প্রযুক্তি নেই বলে নয় — বিকাশ, নগদ, রকেট, বাংলা কিউআর সবই আছে, সবই চলে। কারণ কেউ ওই গলিতে গিয়ে প্লাস্টিকের টুলে বসে দোকানদারের ভাষায় বুঝিয়ে বলেনি, আর বিশ্বাস অর্জনের মতো সময় ধরে পাশে থাকেনি।

প্রিয় এজেন্ট সেই পথেই হাঁটে।

A neighbourhood grocery shop in Keraniganj, Bangladesh, its Bengali signboard offering phone and mobile calls, with a customer leaning on the counter.

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইউনিটের ৪১.৮% এমন দোকানই — শুমারিতে একক হিসেবে সবচেয়ে বড় ভাগ।

ছোট দোকান আছে বাংলাদেশে

৪৫ লাখ

দোকান ডিজিটাল টাকা নিতেই পারে না

~৩০ লাখ

মোবাইলের টাকার এতটুকুই দোকানে খরচ হয়

৫%

লেনদেনের এই অংশ এখনো ডিজিটাল না

৬৫%

এই সাইটের প্রতিটি সংখ্যার সূত্র আছে, আর যেটা আমরা নিজে বের করেছি সেটা হিসাব বলেই লেখা আছে। পুরো হিসাবটা এখানে

কতটা বাদ পড়ে আছে

৩০ লাখ

দোকানের ডিজিটাল পেমেন্ট নেওয়ার কোনো উপায়ই নেই।

বাংলাদেশে ছোট দোকান প্রায় ৪৫ লাখ। বাংলাদেশ ব্যাংকের খাতায় এমএফএস মার্চেন্ট হিসাব ১৫ লাখ ৪০ হাজার — আর ওটা হিসাবের সংখ্যা, দোকানের না, তাই দুই ওয়ালেট রাখা দোকান দুবার গোনা হয়।

এটা আমাদের বাজারের একটা অংশ না। এটাই বাজারের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ।

১০–১৫ লাখ দোকান ডিজিটাল পেমেন্ট নিতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের খাতায় মার্চেন্ট হিসাব ১৫ লাখ ৪০ হাজার, কিন্তু ওটা হিসাবের সংখ্যা, দোকানের না — বিকাশ আর নগদ দুটোই নেয় এমন দোকান দুবার গোনা হয়।

প্রায় ৩০ লাখ দোকান পারে না। মোটামুটি প্রতি তিনটার দুইটা। এখানে প্রতিটি ঘর ১ লাখ দোকান।

আসল সমস্যা এটা না যে বাংলাদেশে ওয়ালেট নেই। আসল সমস্যা, বাংলাদেশে ক্যাশবাক্স নেই। যে ওয়ালেটের টাকা কোথাও খরচ করা যায় না, সেটা তো নগদ তোলার একটা ধীর উপায় ছাড়া কিছু না।
প্রিয় এজেন্ট — এক লাইনে পুরো কথাটা

~৩০ লাখ

দোকান ডিজিটাল টাকা নিতেই পারে না

দোকানের সংখ্যা থেকে নথিভুক্ত মার্চেন্ট হিসাব বাদ দিলে যা থাকে। ওই হিসাবগুলো আবার একেক প্রোভাইডারে আলাদা করে গোনা, তাই ফাঁকটা সম্ভবত আরও বড়।

আমাদের হিসাববাংলাদেশ ব্যাংক

৫%

মোবাইলের টাকার এতটুকুই দোকানে খরচ হয়

মাসে ৮,৬০০ কোটি টাকার মার্চেন্ট পেমেন্ট, আর মোট এমএফএস লেনদেন ১ লাখ ৭২ হাজার কোটি টাকা। ২০২১ সালে অংশটা ছিল ৪.৩৬%।

২০২৫-এর শুরু ·বাংলাদেশ ব্যাংক

৬৫%

লেনদেনের এই অংশ এখনো ডিজিটাল না

ডিজিটালে হয়েছে ৯ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকা — ৩৪.৬% — আর তার প্রায় এক-পঞ্চমাংশই আরটিজিএস, দোকানের ক্যাশবাক্স না।

অক্টোবর ২০২৫ ·নিউ এজ

টাকা তোলার ব্যবস্থা গ্রহণের ব্যবস্থাকে ছাড়িয়ে গেছে

দেশে এমএফএস এজেন্ট ১৮ লাখ ৩০ হাজার, আর মার্চেন্ট হিসাব ১৫ লাখ ৪০ হাজার। গোটা দেশকে শিখিয়েছি ডিজিটাল টাকা আবার কাগজ বানানো যায়। কাগজটাকে ডিজিটাল থাকতে শেখাইনি কখনো। প্রায় ২৩ কোটি ৭০ লাখ এমএফএস হিসাবের মধ্যে সক্রিয় মাত্র ৩৭.৬%।

আমরা কী করি

আমরা আসলে বিশ্বাসের নেটওয়ার্ক, পেমেন্ট নেটওয়ার্কের ছদ্মবেশে।

আমরা এলাকার মানুষকে — অনেকেই নারী — খুঁজে নিই, প্রশিক্ষণ দিই আর পাশে থাকি, যাতে তাঁরাই নিজের পাড়ার দোকানগুলোর আর্থিক দরজা হয়ে ওঠেন। বিক্রির জন্য একবারের যাওয়া না। টিকে থাকা একটা সম্পর্ক।

  1. নিজে গিয়ে বসি, বাংলায় বলি, কোনো ভারী শব্দ ছাড়া

    বসি। এক কাপ চা খাই। বুঝিয়ে বলি ডিজিটাল টাকা মানে কী আর সেটা কোথায় যায়। গলায় কার্ড নেই, মুখস্থ বুলি নেই, বিক্রির তাড়া নেই।

  2. একবারেই ঠিকভাবে যুক্ত করি, সবার জন্য

    বাংলা কিউআর, সঙ্গে খদ্দেরের হাতে যে ওয়ালেটগুলো আগে থেকেই আছে — একবার বসিয়ে দিলেই সব প্রোভাইডারে চলে, এক ব্র্যান্ডের স্টিকারের ওপর আরেকটা সাঁটাতে হয় না।

  3. পাশে থাকি

    ব্যর্থ লেনদেন, ভুলে যাওয়া পিন, টাকা কখন ঢুকবে, হিসাব মিলছে না — সব। আমাদের মাপকাঠি দোকান চালু থাকা, কাগজ সই হওয়া না। আমরা টাকা পাই সচল লেনদেনে, সইয়ে না।

  4. লেনদেনের রেকর্ডটাকে সম্পদ বানাই

    শুধু নগদে চলা দোকান ব্যবস্থার চোখে অদৃশ্য: কোনো রেকর্ড নেই, ঋণমান নেই, চলতি মূলধন নেই। প্রতি মাসের লেনদেনই এমন এক জামানত, যা দোকানদারের আগে কখনো ছিল না।

  5. বাকি সেবাগুলোও সঙ্গে নিয়ে আসি

    সঞ্চয়, রেমিট্যান্স, বিমা, বিদ্যুৎ-পানির বিল, সরকারি ভাতা — বিশ্বাস দিয়ে যে দরজাটা খোলে, সেটা দিয়েই।

এক নেটওয়ার্ক, দুই কাজ

বিতরণের পথ আর সমাজের কাজের পথ — দুটোই একই পথ।

বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান ব্যবসার গায়ে সমাজসেবা জুড়ে দেয়। আমাদেরটা একই তারে চলে — কারণ যেখানে বাধাটা প্রযুক্তি না, বিশ্বাস, সেখানে এলাকার মানুষের চোখে কাজের হয়ে ওঠাটাই একটা বিতরণ কৌশল।

A vendor sitting among mounds of onions, garlic, ginger and green chillies at a busy village market in Bangladesh.

আমরা টাকা পৌঁছে দিই

দোকানদার সত্যিই ব্যবহার করতে পারেন এমন পেমেন্ট, বাংলা কিউআর দিয়ে একবারেই সব প্রোভাইডারের জন্য বসানো — তারপর ওই খোলা দরজা দিয়েই সঞ্চয়, রেমিট্যান্স, বিমা আর বিল পরিশোধ।

Two schoolgirls in uniform cycling along a dirt village road in Bangladesh on their way to school.

আমরা সাহায্য পৌঁছে দিই

নারীর শিক্ষা, খারাপ একটা মাস কাটাচ্ছে এমন পরিবারের খাবার, আর বন্যার ত্রাণ — একই এজেন্ট আর একই দোকানের মাধ্যমে, কারণ তাঁরা তো ওখানেই আছেন আর আগে থেকেই বিশ্বাসের জায়গায় আছেন।

সেপ্টেম্বরে যে এজেন্ট ওই গলিতে ত্রাণ নিয়ে গিয়েছিলেন, অক্টোবরে দোকানদার তাঁরই পেমেন্ট সেবা নেন। এটা আর কোনো কিছু দিয়ে কেনা যায় না।

এখনই কেন

দরজাটা খোলা, আর তাতে একটা সময়সীমা ঝুলছে।

  1. যে জাতীয় লক্ষ্য শুধু দোকানই পূরণ করতে পারে

    বাংলাদেশ ব্যাংক চায় ২০২৭ সালের মধ্যে ৭৫% লেনদেন ক্যাশলেস হোক, আর দশ বছরে ৮০% পেমেন্ট ডিজিটাল হোক। অক্টোবর ২০২৫-এ ডিজিটাল যখন ৩৪.৬%, তখন শপিং মল আর সুপারশপ দিয়ে ওই লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না। পথটা মুদি দোকানের ভেতর দিয়েই।

  2. বাংলা কিউআরের বাধ্যবাধকতা

    প্রতিটি ব্যাংক, এমএফএস প্রোভাইডার, পিএসপি আর পিএসওকে দোকানে নিজের আলাদা কিউআর সরিয়ে সবার সঙ্গে চলে এমন বাংলা কিউআর বসাতে হবে, না হলে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা। ফলে হঠাৎ পুরো খাতটারই মার্চেন্ট দরকার — আর একসঙ্গে চলার সুবিধায় একবার গেলেই সবার কাজ হয়ে যায়।

  3. এখন আটকে আছে গ্রহণের জায়গাটাতেই

    ওয়ালেট বাড়তে বাড়তে থেমে গেছে নিষ্ক্রিয়তায় — প্রায় ২৩ কোটি ৭০ লাখ এমএফএস হিসাবের মধ্যে সক্রিয় মাত্র ৩৭.৬%। আগামী দশকের বৃদ্ধিটা আসতে হবে ওই ৫% মার্চেন্ট পেমেন্টের ঘর থেকেই।

  4. শেষ গলি যে চলে, তা প্রমাণিত

    এজেন্ট ব্যাংকিং ১৫,৮৩৮ জন এজেন্টের মাধ্যমে ২১,০২৩টি আউটলেট চালাচ্ছে, হিসাব ২ কোটি ৪৬ লাখ ৭০ হাজার, যার ৮৫.৫% গ্রামে। গ্রামের বাংলাদেশে পৌঁছানো কোনো রহস্য না। কেউ গিয়ে দাঁড়ালেই হয়।

যে দেশে আমরা কাজ করি

পাড়ার দোকান বাংলাদেশে কোনো ছোট অংশ না। ওটাই অর্থনীতি।

দেশের প্রতি দশটা অর্থনৈতিক ইউনিটের চারটাই দোকান। দশটার নয়টাই ক্ষুদ্র বা কুটির পর্যায়ের। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ গ্রামে।

১,১৭,০২,৭৯২
অর্থনৈতিক ইউনিট আছে দেশে

এক দশকে বেড়েছে ৪৯.৬৮%।

৪১.৮%
এর মধ্যে পাইকারি বা খুচরা ব্যবসা

একক হিসেবে সবচেয়ে বড় ভাগ — প্রায় ৪৯ লাখ ইউনিট।

৬৩%
অর্থনৈতিক ইউনিট গ্রামে

১,১৭,০২,৭৯২-এর মধ্যে ৭৩,৮৫,৮২৮টি।

৫৬.৭%
ক্ষুদ্র বা মাইক্রো উদ্যোগ

আরও ৩৮.৭% কুটির পর্যায়ের। দশটার মধ্যে নয়টাই এই দুইয়ের একটা।

৩ কোটি ৬ লাখ
মানুষ এসব জায়গায় কাজ করে

সব অর্থনৈতিক ইউনিট মিলিয়ে নিয়োজিত মানুষ।

১%-এরও কম
খুচরা ব্যবসার সংগঠিত বা আধুনিক অংশ

অথচ খাদ্য ও নিত্যপণ্যের বাজারটা প্রায় ৩,৬০০ কোটি ডলারের।

এমএফএস আর ব্যাংকের জন্য

অবকাঠামোটা আপনারা অসাধারণ বানিয়েছেন। শেষ গলি পর্যন্ত আমরা নিয়ে যাই।

বাকি দোকানগুলো প্রযুক্তির সমস্যা না। উপস্থিতির সমস্যা — আর উপস্থিতি প্রধান কার্যালয় থেকে বাড়ে না।

বিকাশনগদরকেটউপায়ব্যাংকদাতা

যাঁদের সঙ্গে আমরা কাজ করতে চাই, তাঁদের নাম। প্রিয় এজেন্টের এদের কারও সঙ্গে সম্পর্ক নেই, কারও অনুমোদনও নেই।

  • সবার সঙ্গে চলে

    বাংলা কিউআরে একবার গেলেই মার্চেন্টটি পুরো খাতের জন্য সচল হয়, শুধু এক ব্র্যান্ডের জন্য না।

  • টাকা পাই সচল লেনদেনে

    সইয়ে না — কারণ খাতের আসল সমস্যাটা নিষ্ক্রিয়তা।

  • যে তথ্য ঋণগ্রাহক বানায়

    নতুন দৃশ্যমান একটা মার্চেন্ট মানেই নতুন একজন সিএমএসএমই গ্রাহক, ২৮০ কোটি ডলারের ঘাটতির বিপরীতে।

  • যে সিএসআর সত্যিই পৌঁছায়

    শিক্ষা, খাবার আর ত্রাণের একটা নিরীক্ষাযোগ্য বিতরণ চ্যানেল।

সোজা উত্তর

যে প্রশ্নগুলো সবার আগে আসে।

৩০ লাখ দোকানের হিসাবটা কোথা থেকে আসল?

এটা আমাদের নিজের হিসাব, আর যেখানেই আসে সেখানেই আমরা সেটা লিখে দিই। বাংলাদেশে ছোট খুচরা দোকান প্রায় ৪৫ লাখ; ডিসেম্বর ২০২৪-এ বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে সব প্রোভাইডার মিলিয়ে এমএফএস মার্চেন্ট হিসাব ছিল ১৫ লাখ ৪০ হাজার। ওগুলো হিসাবের সংখ্যা, দোকানের না — বিকাশ আর নগদ দুটোই নেয় এমন দোকান দুবার গোনা হয়। তাই আলাদা করে সচল দোকানের সংখ্যা আসলে ১০ থেকে ১৫ লাখ, আর বাদ পড়া অংশটা প্রায় ৩০ লাখ। এটা একটা হিসাব, আর রক্ষণশীল হিসাব।

বিকাশ-নগদ তো এই কাজ করছেই?

তারা অসাধারণ একটা অবকাঠামো বানিয়েছে, আমরা সেটা সরাতে চাই না — আরও দূর পর্যন্ত নিয়ে যেতে চাই। বাকি দোকানগুলো প্রযুক্তির সমস্যা না, উপস্থিতির সমস্যা। আর উপস্থিতি প্রধান কার্যালয় থেকে বাড়ানো যায় না। বাংলা কিউআর সবার সঙ্গে চলে, তাই আমাদের একবারের যাওয়াতেই মার্চেন্টটি সব প্রোভাইডারের জন্য একসঙ্গে সচল হয়।

প্রিয় এজেন্ট টাকা পায় কীভাবে?

সইয়ে না, সচল লেনদেনে। এটা ইচ্ছাকৃত: খাতের সমস্যাই তো নিষ্ক্রিয় মার্চেন্ট। যুক্ত করার সংখ্যায় টাকা পেলে আমরা ঠিক ওই ব্যর্থতাটাই আবার তৈরি করতাম, যেটা সারাতে আমাদের জন্ম।

পেমেন্টের ব্যবসার সঙ্গে সমাজের কাজ একসঙ্গে কেন?

কারণ যেখানে বাধাটা প্রযুক্তি না, বিশ্বাস — সেখানে এলাকার মানুষের কাজে লাগাটাই একটা বিতরণ কৌশল। সেপ্টেম্বরে যে এজেন্ট ওই গলিতে ত্রাণ নিয়ে গিয়েছিলেন, অক্টোবরে দোকানদার তাঁরই পেমেন্ট সেবা নেন। আর বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো এমনিতেই শত শত কোটি টাকা সিএসআরে খরচ করে, যেটা ঠিক জায়গায় পৌঁছাতে হিমশিম খায় — আমরা সেটার চ্যানেল।

বিকাশের “প্রিয় এজেন্ট” সুবিধার সঙ্গে কি সম্পর্ক আছে?

না। গ্রাহকের বেছে নেওয়া পছন্দের ক্যাশ-আউট এজেন্ট বোঝাতে বিকাশ একই শব্দ দুটি ব্যবহার করে। আমরা আলাদা একটা প্রতিষ্ঠান, বিকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নই, তাদের অনুমোদনও নেই — আর প্রশ্ন উঠলেই আমরা এটা স্পষ্ট করে বলি।

এমএফএস আর ব্যাংকের জন্য

বলুন কোন দোকানগুলোয় পৌঁছাতে চান।

আপনি মার্চেন্ট লক্ষ্য নিয়ে বসা এমএফএস প্রোভাইডার হোন, বাংলা কিউআরের সময়সীমা আর সিএসআর বাজেট নিয়ে বসা ব্যাংক হোন, কিংবা আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে অর্থ দেওয়া দাতা — শুরুটা হোক একটা আলাপে।